০১:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

ডিমলায় অবৈধভাবে পাথর মজুদ ও বিক্রি দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার করে টাকা জরিমানা

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:৩৩:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫
  • / ১২০

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নীলফামারীর ডিমলায় ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে, তিস্তা নদী হতে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন, মজুদ ও বিক্রির দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে ২০হাজার করে টাকা জরিমানা এবং পাথর সহ পাথর তোলার যন্ত্রপাতি যব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার টেপা খড়িবাড়ি ও গোয়াবাড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন স্পটে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অভিযান পরিচালিত হয়।পরিচালিত এ মোবাইল কোর্ট অভিযানে দুইজন পাথর ব্যবসায়ীকে মোবাইল কোর্ট আইন ২০০৯ এর আওতায় ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এ সময় আনুমানিক ৮ হাজার সিএফটি অবৈধভাবে মজুদ করা পাথর এবং ৪টি পাথর ভাঙার মেশিন জব্দ করা হয়। জব্দকৃত পাথর ও যন্ত্রপাতি যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হবে বলে উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে।

অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইমরানুজ্জামান এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রওশন কবির। অভিযানকালে ডিমলা থানা পুলিশের একটি চৌকস দল মাঠে থেকে সহযোগিতা করে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রওশন কবির বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বিক্রির বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমরানুজ্জামান জানান,পরিবেশ রক্ষায় অবৈধ ড্রেজার মালিক বা বালু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সবসময় সতর্ক দৃষ্টি রাখবে ডিমলা উপজেলা প্রশাসন।

Please Share This Post in Your Social Media

ডিমলায় অবৈধভাবে পাথর মজুদ ও বিক্রি দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার করে টাকা জরিমানা

আপডেট: ০৭:৩৩:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নীলফামারীর ডিমলায় ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে, তিস্তা নদী হতে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন, মজুদ ও বিক্রির দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে ২০হাজার করে টাকা জরিমানা এবং পাথর সহ পাথর তোলার যন্ত্রপাতি যব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার টেপা খড়িবাড়ি ও গোয়াবাড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন স্পটে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অভিযান পরিচালিত হয়।পরিচালিত এ মোবাইল কোর্ট অভিযানে দুইজন পাথর ব্যবসায়ীকে মোবাইল কোর্ট আইন ২০০৯ এর আওতায় ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এ সময় আনুমানিক ৮ হাজার সিএফটি অবৈধভাবে মজুদ করা পাথর এবং ৪টি পাথর ভাঙার মেশিন জব্দ করা হয়। জব্দকৃত পাথর ও যন্ত্রপাতি যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হবে বলে উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে।

অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইমরানুজ্জামান এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রওশন কবির। অভিযানকালে ডিমলা থানা পুলিশের একটি চৌকস দল মাঠে থেকে সহযোগিতা করে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রওশন কবির বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বিক্রির বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমরানুজ্জামান জানান,পরিবেশ রক্ষায় অবৈধ ড্রেজার মালিক বা বালু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সবসময় সতর্ক দৃষ্টি রাখবে ডিমলা উপজেলা প্রশাসন।