নড়াইলে একটি বাড়িতে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ
- আপডেট: ০৮:৫৬:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুলাই ২০২৫
- / ১০৫

নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইল সদর উপজেলায় এক বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার দুপুরে উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়নের পূর্ব সীমাখালী এলাকার চয়ন নন্দীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে।
চয়ন নন্দীর পরিবারের অভিযোগ, গত এক মাস আগে চয়নের জমজ দুই সন্তান অসুস্থ হয়। এসময় একই এলাকার গ্রাম্য চিকিৎসক কনোক মজুমদারের তাদের ওষুধ দেন৷ কনোকের ওষুধ খেয়ে শিশু দুটির অবস্থার আরো অবনতি হয়। পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার চিকিৎসক জানান, ‘ভুল চিকিৎসা ও ওষুধ প্রয়োগের কারণে শিশু দুটির অবস্থার অবনতি হয়’। আজ বাড়ির পাশে আরেকজন রোগিকে চিকিৎসা দিতে এলে চয়ন ভুল ওষুধ প্রয়োগের বিষয়টি নিয়ে বাকবিতন্ডায় জড়ান কনোকের সঙ্গে। একপার্যায়ে চয়নের গায়ে হাত দেন কনোক। এরপর হাতাহাতি হয়। কিছু সময় পর কনোকরা চয়নদের বাড়িতে হামলা চালায়, সেসময় বাড়িতে শুধু মাত্র চয়নের স্ত্রী উপস্থিত ছিলেন। সেই সুযোগে চয়নদের ঘরের জানালার কাঁচ, চেয়ারসহ বিভিন্ন মাল-জিনিস ভাঙচুর করেন। এসময় চয়নদের গরু বিক্রি করে রাখা নগদ ২ লাখ টাকা এবং প্রায় চার ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায় হামলাকারীরা।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত কনোক মজুমদার। তিনি বলেন, ‘তাদের কেউ চয়নদের বাড়িতে হামলা চালানো তো দূরের কথা, ‘ওই বাড়িতেই যায়নি। আর আমি কখনো ভুল ওষুধও দেয়নি। এ বিষয় নিয়ে কোনো ঝামেলাও হয়নি।’ বরং পূর্ব শত্রুতার জের ধরে চিকিৎসা নেওয়ার কথা বলে ফোন করে ডেকে নিয়ে চয়ন ও তার সহযোগিরা আমাকে মারধর করেছে।
এ ব্যাপারে নড়াইল সদর থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম বলেন, এঘটনায় দুই পক্ষই পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছেন। পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়েছে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷






















