বাঘারপাড়ার খলশী গ্রামে ৫০হাজার টাকার টিকিটের বিনিময়ে পুকুরে মাছ শিকারের উদ্বোধন
- আপডেট: ১১:২৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬
- / ২৮

সাঈদ ইবনে হানিফ, বাঘারপাড়া ঃ যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার ৬নং দোহাকুলা ইউনিয়নের খলশী গ্রামের নাটার পুকুরে পঞ্চাশ হাজার টাকা টিকিটের বিনিময় মাছ শিকারের প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করা হয়েছে।
১ অক্টোবর ২০২৬ ইং বৃহস্পতিবার দুপুরে লীজ গ্রহিতা যশোরের মো. শাকিল হোসেন এই আয়োজন করেন। যা চলবে ২৪ ঘন্টা মেয়াদে। প্রায় ৬ একরের এই নাটার পুকুর ৫ বছরের চুক্তিতে প্রতি বছর ৬ লাখ টাকা পাবেন প্রয়াত মো. লাল মোহন বিশ্বাসের ৪ ছেলে আ. খালেক বিশ্বাসগং।শাকিল একজন মৎস শিকারী তাই তিনি নিজ চিন্তা চেতনায় তার এই উদ্যোগ বলে জানা গেছে।
এদিন দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে আসা সৌখিন মৎস শিকারীগন এপ্রতিযোগিতায় ৫০ হাজার টাকার টিকিট কেটে অংশ নেয়। পুকুরে ৩৭টি পয়েন্ট বিক্রি করে কর্তৃপক্ষ। ৩৭টি টিকিটে ৩৭ জন শিকারী প্রত্যেকে ৪ থেকে ৫টির বেশী বঁড়শী পুকুরে ফেলতে পারবেনা। মাছ শিকারের দৃশ্য দেখতে এলাকার হাজারও দর্শনার্থীরা পুকুরের ্পাড়ে হাজীর হয়েছিল।মাছ শিকারের সময় বেধে দিয়া ছিল ২৪ ঘন্টা। আজ ২ অক্টোবর ইং ২০২৬ শুক্রবার বিকাল ৩টা পর্যন্ত।
সরেজমিনে গিয়ে কথা হয় কয়েকজন সৌখিন মৎস শিকারীর সংঙ্গে এসময় যশোরের হামিদপুর থেকে আগত মো. জোবায়ের বললেন অনেক বছর যাবত টিকিট কেটে মাছ শিকার করে আসছি কিন্তু এ পুকুরে মাছ পেলাম না। সোনাডাঙ্গা খুলনা থেকে আগত মো. দেলোয়ার হোসেনের একই কথা, রাজবাড়ী সদর উপজেলা থেকে আসা শিকারী সোহাগ বললেন ভাগ্য আমার ভালো না, খালিশপুর খুলনা থেকে আগত ২৫ বছরের মাছ শিকারের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন বিশেষজ্ঞ মৎস শিকারী বললেন ভাই বহুনী করতে পারিনি। তিনি ভাগ্যের দোষ দিয়ে বললেন নসীব খারাপ। এরকম আরও ২০/২৫ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে এসেছে তবে কেউ কেউ পাচ ছয়টা করে পেয়েছে।
স্থানীয় খলশী গ্রামের মো. ইমান আলী ফারাজী তার দেখা মতে সর্বোচ্চ ওজনের একটা মাছ ছিল বিশ কেজি। এছাড়াও ২, ৪, ৭ ও ১০ কেজি ওজনে মাছ ধরা পড়েছে প্রচুর। সর্বশেষ কথা হয় পুকুর লীজ গ্রহিতা মো. শাকিল মিয়ার সাথে তিনি জানালেন এ বছর প্রথম একটু ভুলত্রুটি থাকতে পারে আগামীতে শুধরে এ ধারা অব্যাহত থাকবে।






















