স্বপন কুমার দাস, নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইলের কড়োলা ইউনিয়নের বাহির গ্রামে মোবাইল ফোন বিক্রি করে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করে না পাওয়ায় চারজনকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আহতরা হলেন কলোড়া ইউনিয়নের বাহির গ্রামের আছর শেখের ছেলে সাগর শেখ( ৫০), আমিনুর শেখের ছেলে জিসান শেখ (১৭), ইশারত শেখের ছেলে শাহিন শেখ ও আমিনুর শেখের স্ত্রী রত্না বেগম ( ৩৫)।
এর মধ্যে সাগর শেখের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার মাথায় আঘাতটি গুরুতর বলে জানিয়েছেন নড়াইল সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক।
হামলার ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন একই গ্রামের সোহান, রায়হান, বাপ্পা মোল্যা, সোহাগ মোল্যা, উজ্জ্বল মোল্যা, সাকিব মোল্যা, পান্নু মোল্যা,বুলু মোল্যা সহ অজ্ঞাত আরো ৭/৮ জন।
হামলাকারীদের নাম উল্লেখ করে নড়াইল সদর থানায় অভিযোগের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগীরা।
ভুক্তভোগী আমিনুর শেখের স্ত্রী রত্না বেগম জানান, আমার ছেলে জিসানের কাছে পাঁচ হাজার টাকায় মোবাইল ফোন বিক্রি করে অভিযুক্তরা।
চার হাজার টাকা দিয়ে এক হাজার টাকা বাকি রেখে মোবাইল ফোনটি নিয়ে আশে আমার ছেলে। পরে বাকি একহাজার টাকা দিতে গেলে অভিযুক্ত সোহান, রায়হান, সোহাগ বাপ্পা মোবাইলের দাম সাত হাজার টাকা উল্লেখ করে আরো তিন হাজার টাকা দাবি করে।
আমার ছেলে বাড়তি টাকা দিতে অস্বীকার করলে ক্ষিপ্ত হয় অভিযুক্তরা।আমার ছেলেকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়।
এই ঘটনার সূত্রধরে গত ২৪ শে জুন বুধবার বিকেলে আমার বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর লুটপাট করে তাঁরা। বাঁধা দিতে গেলে আমি আমার ছেলে জিসান, শাহিন শেখ ও সাগর শেখ কে পিটিয়ে আহত করে। এর মধ্যে সাগর শেখের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, তার মাধায় তেরোটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তরা এলাকায় মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি সহ বিভিন্ন অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত আছে বলে জানিয়েছেন রত্না বেগম।
এ বিষয়ে সদর হাসপাতালে গিয়ে কথা হয় সাগর শেখের সাথে, তিনি এই প্রতিবেদককে জানান, বাড়িতে হামলা হচ্ছে মোবাইল ফোনে খবর পেয়ে বাড়ির সামনে উপস্থিত হলে অভিযুক্তরা আমাকে বাড়ির সামনে থেকে ধরে নিয়ে আসে, এসময় বাপ্পা আমার বাড়িতে বোমা হামলা করার হুমকি দেয় এবং সাকিব আমাকে গালাগালি দিয়ে পাশে পরে থাকা বেলচা দিয়ে আমার মাথায় আঘাত করলে আমি রক্তাক্ত জখম হয়ে মাটিতে পরে যাই।
স্থানীয়রা আমাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।
এই ঘটনায় বক্তব্য নেওয়ার জন্য অভিযুক্তদের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন রিসিভ করেনি কেউ।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ আব্দুল মুননাফ , ই-মেইল: ই-মেইল নং : gsongbad440@gmail.com , মোবাইল-০১৭১১-৩৫৯৬৩১
Copyright © 2026 gramersongbad.com. All rights reserved.