নিজস্ব প্রতিবেদক: সাম্প্রতিক সময়ে শ্যামলগাছী এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জানা গেছে, যশোরের শার্শায় পূর্বশত্রুতার জেরে এক ব্যবসায়ীকে ঘেরাও করে মারধর ও নগদ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে এক পুলিশ সদস্যসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে।
আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে ঘটনার তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার বাদী শার্শা থানার শ্যামলগাছী গ্রামের ব্যবসায়ী পিন্টু রহমান। মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে একই গ্রামের পুলিশ সদস্য মামুন হাসান জুয়েলকে। অপর আসামিরা হলেন আব্দুল বারেক, শফিয়ার রহমান, তহিদুল ইসলাম ও মশিয়ার রহমান।
মামলার এজাহারে পিন্টু রহমান উল্লেখ করেন, তিনি একজন সাধারণ ব্যবসায়ী। এলাকার বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় আসামিদের সঙ্গে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় গত (২৯ মে) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শার্শার শ্যামলগাছী গেট মোড়ে অবস্থানকালে আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে বেআইনি জনতাবদ্ধ হয়ে বাঁশের লাঠি, লোহার রড ও স্টিলের পাইপ নিয়ে তাকে ঘিরে ধরে।
এ সময় আসামিরা তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। তিনি এর প্রতিবাদ করলে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। একপর্যায়ে তার পকেটে থাকা ১৪ হাজার টাকা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পাশাপাশি তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টাও করা হয়েছে বলে এজাহারে দাবি করা হয়েছে।
আদালত অভিযোগটি গ্রহণ করে ঘটনার বিষয়ে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
এদিকে, শার্শায় সাম্প্রতিক একটি ঘটনায় অভিযুক্ত ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যকে মারধরের অভিযোগে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোস্তফা কামাল মিন্টুকে প্রধান আসামি করে গত ৪ জুন একটি মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় ছয়জনের নাম উল্লেখের পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৫ থেকে ৬ জনকে আসামি করা হয়। মামলাটি করেন পুলিশ সদস্য মামুন হাসান জুয়েলের ছোট ভাই রয়েল।
অন্যদিকে, ওই মামলার দুই দিন আগে ২ জুন ব্যবসায়ী পিন্টু রহমান আদালতে মামলা করেন। তার দাবি, অভিযোগটি আগে শার্শা থানায় দেওয়া হলেও তা আমলে নেওয়া হয়নি। পরে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে শ্যামলগাছী এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা চলছে। তবে মামলার অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ আব্দুল মুননাফ , ই-মেইল: ই-মেইল নং : gsongbad440@gmail.com , মোবাইল-০১৭১১-৩৫৯৬৩১
Copyright © 2026 gramersongbad.com. All rights reserved.