যশোর অফিস : হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে মিজানুর রহমান নামের এক বন্দীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শুক্রবার কারাগারের ভেতরের একটি কক্ষ থেকে লাশটি উদ্ধার করেন কারারক্ষীরা।
কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, বন্দী মিজানুর কারাগারের ভেতরে কার্পেট চালির (যেখানে কার্পেট তৈরি হয়) দরজা ভেঙে ঢোকেন। সেখানে তিনি গলায় দড়ি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। বিষয়টি টের পেয়ে কারারক্ষীরা তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু ততক্ষণে তিনি মারা যান।
মৃত মিজানুর রহমান যশোরের শার্শা উপজেলার আমতলা গ্রামের আক্কাচ আলীর ছেলে। তিনি চলতি বছরের ২৪ জুলাই একটি হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে আসেন। মিজান ওয়ার্কশপ মেকানিক থেকে বিভিন্ন যন্ত্রাংশ আবিষ্কার করে এক দশক ধরে জেলায় পরিচিতি পান ‘উদ্ভাবক মিজান’ নামে।
জানতে চাইলে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবিদ আহমেদ জানান, তিনি (মিজান) মূলত কপোতাক্ষ-৩ ভবনে থাকতেন। কিন্তু কৌশলে তিনি কার্পেট চালির দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে যান। সেখানেই এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি তাঁর পরিবারকে জানানো হয়েছে। তারা এলে লাশ হস্তান্তর করা হবে।
উল্লেখ্য, মিজানুর রহমান যশোরের শার্শার একজন মেকানিক। যিনি বহু উদ্ভাবনী যন্ত্র; যেমন বিদ্যুৎ উৎপাদন, অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য যানবাহন তৈরি করেছেন।
গত ২৪ জুলাই’২৫ যশোরের বেনাপোলে ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালক সুজায়েতুজ্জামান প্রিন্সকে হত্যার ঘটনার ২১ বছর পর রায়ে উদ্ভাবক মিজানুর রহমান মিজানসহ চারজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেয় আদালত। ভগ্নিপতি উদ্ভাবক মিজানুর রহমান মিজানের হাতে হত্যার শিকার প্রিন্সের আপন ভগ্নিপতি ছিলেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ আব্দুল মুননাফ , ই-মেইল: ই-মেইল নং : gsongbad440@gmail.com , মোবাইল-০১৭১১-৩৫৯৬৩১
Copyright © 2026 gramersongbad.com. All rights reserved.