নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইল আদালত চত্ত্বরে পূর্ব শত্রুতার জেরে মোঃ সোহাগ মোল্যা (২৪) নামে এক খাবারের দোকানের কর্মচারীকে মারধর করে গুরুতর আহত ও খাবারের দোকানটিতে ভাঙচুর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এই ঘটনায় খাবারের দোকান মালিক বরাশুলা গ্রামের সৈয়দ ওলিয়ার রহমানের ছেলে মোঃ হিরো মোল্যা(৩৯) বাদী হয়ে বরাশুলা গ্রামের মৃত সৈয়দ আবুল হোসেনের ছেলে সৈয়দ শামীম হোসেন(৩৫)কে বিবাদী করে নড়াইল সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে জানান।
বাদীর লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৪ই অক্টোবর মঙ্গলবার দুপুরে দোকানের সামনে নসিমন রাখাকে কেন্দ্র করে হোটেল মালিক শামীমের সাথে হিরোর দোকানের কর্মচারী সোহাগের সাথে কথাকাটাকাটি হয়।তখন হিরো দোকানে অনুপস্থিত ছিল।
শামীমের আচরনে ভীত হয়ে সোহাগ হিরোকে দোকানে আসতে বলে, হিরো দোকানে উপস্থিত হলে শামীম হিরোকে
দেখে স্টিলের রড নিয়ে মারার উদ্দেশ্যে দোকানের দিকে এগিয়ে গেলে তখন সোহাগ শামীমকে বাধা দেয়, এসময় শামীমের হাতা থাকা স্টিলের রড দিয়ে সোহাগের মাথায় আঘাত করে, সোহাগ পরে গেলে শামীম তখন দোকানটিতে ভাঙচুর চালায় ও ক্যাশে থাকা নগদ ৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে তার দোকানে চলে যায়।
এ সময় সোহাগের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে নিয়ে তৎক্ষনাৎ নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোহাগের মাথায় দুইটি সেলাই লেগেছে এবং সে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি আছে।
অভিযোগকারী হিরো মোল্যা বলেন দীর্ঘ দিন ধরে শামীম বিনা কারনে আমার সাথে বিরোধ করে আসছে। আজকের ঘটনাতেও আমার বা আমার কর্মচারী সোহাগের কোন দোষ নেই।শামীম নিজেকে আদালত চত্ত্বরের অঘোষিত সম্রাট মনে করে। যা ইচ্ছে তাই করে।প্রতিবাদ করতে গেলেই এই ধরনের ঘটনা ঘটায়।
আমি নড়াইলের প্রশাসনের কাছে শামীমের বিচার চাই।
এ বিষয়ে হামলায় আহত সোহাগ মোল্যা বলেন,কোর্ট চত্ত্বরে ডিসি সাহেবের গেটের সামনে গাড়ি রাখা সম্পুর্ন নিষেধ আছে।কে বা কারা গেটের সামনে নসিমন রেখে চলে গিয়েছিল, আমি শুধু গাড়িটি সরিয়ে নেওয়ার জন্য গাড়ির মালিককে খুজেছি,এই আমার অপরাধ।আমি শামীমের বিচার দাবী করছি।
এ বিষয়ে বক্তব্যের জন্য আদালত চত্ত্বরে অভিযুক্ত শামীমের হোটেল গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ আব্দুল মুননাফ , ই-মেইল: ই-মেইল নং : gsongbad440@gmail.com , মোবাইল-০১৭১১-৩৫৯৬৩১
Copyright © 2026 gramersongbad.com. All rights reserved.