স্টাফ রিপোর্টার : সারাদেশে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে হাজারো অনুমোদনহীন, মানহীন ক্লিনিক। এসব ক্লিনিকের চিকিৎসা সেবার মান নিয়ে অভিযোগের শেষ নেই সাধারণ মানুষের মধ্যে। তারপরও তারা বিভিন্ন মহলকে ম্যানেজ করে তাদের কার্যক্রম নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় এসব ক্লিনিকের ভুল চিকিৎসায় বহু মানুষ জীবন হারিয়েছেন, পঙ্গু হয়েছেন, আর্থিক ভাবে সর্বশান্ত হয়েছেন। এসকল ক্লিনিকে নিম্নমানের রিএজেন্ট ব্যবহার করে কমদামি, পুরাতন যন্ত্রের মাধ্যমে ল্যাব টেকনোলজিস্ট বাদেই তৈরি করা ভুল রিপোর্ট এর কারণে অনেক রোগীর জীবন হুমকির মুখে পড়ে। এরকমই একটি ঘটনা ঘটেছে একজন সন্তান সম্ভবা মায়ের সঙ্গে।
ভুক্তভোগী রোগীর পিতা জানান, আমার কন্যাকে সন্তান প্রসবের জন্য গত ৭ আগষ্ট ঝিকরগাছা বাজারের মোহাম্মদ আলী ক্লিনিকে ভর্তি করাই। সেখানে সিবিসি টেস্টের রিপোর্টে দেখা যায় হিমোগ্লোবিন এর পরিমাণ আছে ৯.৭। ক্লিনিকের ডাক্তার আমাকে দ্রুত ২ ব্যাগ রক্ত জোগাড় করতে বলেন। এরই মধ্যে রোগীর অবস্থা খারাপ হওয়ায় আমি মেয়েকে পুলেরহাট অবস্থিত আদ্ব দিন সখিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করি। সেখানে ৯ আগষ্ট পুনরায় সিবিসি টেস্ট এর রিপোর্টে দেখা যায় হিমোগ্লোবিন এর পরিমাণ ১২.১। রক্ত বাদেই তার সিজারিয়ান অপারেশনের পর বাচ্চা এবং মা দুজনেই সুস্থ আছে। একই টেস্টের রিপোর্ট ২ ক্লিনিকে ২ রকম হওয়ায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ঝিকরগাছায় থাকলেতো আমার মেয়েকে তারা ২ ব্যাগ রক্ত দিতো। এতে ক্ষতি হলে তার দায় কে নিতো?
ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার আব্দুর রশিদ বলেন, একই রোগীর রক্তের হিমোগ্লোবিন এর পার্থক্য এতটা হবার কথা নয়। প্যাথলজিকাল টেস্টের ভুলের কারণে রোগীর জীবন সংশয় হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে ভুল করার কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি তিনি খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলে জানান।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ আব্দুল মুননাফ , ই-মেইল: ই-মেইল নং : gsongbad440@gmail.com , মোবাইল-০১৭১১-৩৫৯৬৩১
Copyright © 2026 gramersongbad.com. All rights reserved.