আনিছুর রহমান: মণিরামপুর উপজেলার হানুয়ার (মানিকগঞ্জ) গ্রামের প্রবাসী নজরুল ইসলামের কন্যা কলেজ পড়ুয়া ছাত্রী আনিকা খাতুন (১৮) গলায় ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যা করেছে। তবে আত্নহত্যার পিছনে কোন কারন খুজে পায়নি নিহতের পরিবার ও পুলিশ।
নিহতের পরিবার সুত্রে জানা যায়, আনিকা প্রতিদিনের ন্যায় ৪ জুলাই রাতে খাওয়া দাওয়া শেষে তার রুমে ঘুমাতে যায়। সকালে ঘুম থেকে না উঠায় তার মা ডলি খাতুন দরজায় যেয়ে আনিকাকে ডাকতে থাকে। কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে পাশের লোকজন ডেকে ঘরের দরজা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে দেখে মেয়ে আনিকা গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আড়ার সাথে ঝুলছে। তখন লোকজন ওড়না কেটে আনিকার নিথর দেহটি নীচে নামায়। পরে আত্নহত্যার বিষয়টি থানায় জানানোর পর শনিবার দুপুরে রাজগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইন্সপেক্টর কামাল হোসেন ও ঝাঁপা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই আব্দুল হক ঘটনা স্থলে আসেন। লাশটির সুরতহাল রিপোর্টের পর ময়না তদন্তে পাঠানোর জন্য প্রস্তুতি গ্রহন করেন পুলিশ। কিন্তু নিহতের পরিবার সহ ও স্থানীয় নেতারা ওসি ও সার্কেল এসপির সাথে কথা বলে লাশটি ময়না তদন্ত ছাড়াই দাফন দেওয়ার অনমতি করান।
এ বিষয়ে নিহতের মা ডলি বলেন, আনিকা রাজগঞ্জ ডিগ্রী কলেজে এইচ এস সি প্রথম বর্যে লেখা পড়া করেন। কোন কারনে মেয়ে আত্নহত্যা করলো আমি কিছুই বুঝতে পারছি না।
বিষয়টি নিয়ে ঝাঁপা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান মফিজ বলেন, নিহতের মাসহ পরিবারের দাবী লাশটি ময়না তদন্ত ছাড়া দাফন করা। তাই আমি থানার ওসি স্যার ও এ এস পি (খ-সার্কেল) স্যারের সাথে কথা বলে সেটি ব্যবস্থা করেছি। তবে নিহতের পিতা মালায়েশিয়া থেকে রাত একটার দিকে বাড়ি পৌছাচ্ছে। যার কারনে লাশটি আজ নয় আগামী কাল রবিবার সকালের দিকে দাফন করা হতে পারে।
কথা হয় রাজগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইন্সপেক্টর কামাল হোসেনের সাথে তিনি প্রতিনিধিকে বলেন, মেয়েটি নিজেই আত্নহত্যা করেছে বলে পরিবারসহ উপস্থিত লোকজনের দাবী। তারা লাশটি ময়না তদন্ত ছাড়া দাফনের জন্য উপরের স্যারদের সাথে কথা বলেছে। তাই আমি লাশটি দাফনের অনুমতি দিয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ আব্দুল মুননাফ , ই-মেইল: ই-মেইল নং : gsongbad440@gmail.com , মোবাইল-০১৭১১-৩৫৯৬৩১
Copyright © 2026 gramersongbad.com. All rights reserved.