নিজস্ব প্রতিবেদক : সর্বোচ্চ চেষ্টার পরেও গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রার্থীতার বৈধতা পাননি সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম। কিন্তু তার মা’কে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করিয়ে আওয়ামী লীগের বিপক্ষে নির্বাচনী তরী পার করলেন জাহাঙ্গীর। মূলত এই নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বী জাহাঙ্গীর ও আওয়ামী লীগ, এমনটাই বলেছেন জাহাঙ্গীরের সমর্থকরা।

গাজীপুর স্থানীয় জনগণের দাবি, মা’কে দাঁড় করালেও এই সিটি নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বী জাহাঙ্গীর। আওয়ামী লীগের নেতারা দলের মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়িয়েছেন। কিন্তু জাহাঙ্গীরও আওয়ামী লীগের সেই কৌশলের পাল্টা কৌশল নিয়ে ভোটের মাঠে সরব ছিলেন। আওয়ামী লীগের প্রায় এক ডজন কেন্দ্রীয় নেতার বিপরীতে একাই লড়েছেন জাহাঙ্গীর।

গাজীপুরের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের সমর্থকদের দাবি, সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী আজমত উল্লা খানের বিপক্ষে একাই লড়ে গেছেন জাহাঙ্গীর। আওয়ামী লীগের ডাকসাইটে নেতারা গাজীপুর নির্বাচনে মাঠে সরব থেকে বিভিন্ন কৌশলে কাজ করে গেছেন আজমত উল্লার পক্ষে। দলীয় প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার পরে কয়েকজন নেতা গাজীপুর থেকেই ‘নির্বাচনী মেকানিজম’ করেছেন। কিন্তু স্থানীয় রাজনীতি জাহাঙ্গীরের জনপ্রিয়তা ও কৌশলকে কতটা পরাজিত করতে পেরেছেন সেটা ভোটের ফলে বলে দেবে।

কেন হারলেন? কেন জিতলেন? তারা আরও দাবি করেন, ভোটের মাঠে লড়াই আওয়ামী লীগ ও জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে। তার মা বিজয়ী হলেও পুরো আওয়ামী লীগ পরাজিত আর জাহাঙ্গীরের মা পরাজিত হলে শুধু জাহাঙ্গীর একাই পরাজিত। কিন্তু গাজীপুরে জাহাঙ্গীর তার জনপ্রিয়তার প্রমাণ দিয়েছেন।

গাজীপুর সিটি করপোরেশন বাসিন্দারা বলছেন, গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে সুষ্ঠু হয়েছে। মানুষ তার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পেরে উল্লাস প্রকাশ করছে।