শার্শার কায়বায় যুবককে গুম করার অভিযোগ

সোহাগ : যশোরের শার্শার কায়বা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাসান ফিরোজ আহম্মেদ টিংকুর বিরুদ্ধে মহিবুল হাসান নামে এক যুবককে গুম করার অভিযোগ উঠেছে। গুম হওয়া মহিবুল কায়বা গ্রামের শুকুর ধবেনের ছেলে। মহিবুল গুম হবার খবর শুনে, তার পিতা ষ্টক করে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
বিশেষ সুত্রে জানা গেছে, যশোরের শার্শা উপজেলার কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাসান ফিরোজ টিংকুর  ক্যাডার দাউদের মেয়ে সোহানা খাতুন, কলারোয় থানার সাতপোতা গ্রামের ইব্রাহীমের সাথে অনৈতিক কাজে লিপ্ত হয়। মহিবুল অনৈতিক কর্মকাণ্ড দেখে তা ভিডিও করে। অনৈতিক কাজের ভিডিও করায় গ্রাম্য মাতবররা অনৈতিক কাজের বিচার সঠিক ভাবে না করে মহিবুলকে দোস দেয়, সে অনৈতিক কাজের ভিডিও করেছে কেন। সে জন্য চেয়ারম্যান টিংকুর ক্যাডাররা মহিবুলের পরিবারের কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে।চাঁদার টাকা  না দেওয়ায় শুক্রবার সন্ধ্যায় টিংকু চেয়ারম্যানের ক্যাডার দাউদ, ভাবলু রফিকুল সহ ১০থেকে১২ জন সন্ত্রাসীরা মহিবুলকে তার বাড়ি থেকে ওঠায়ে নিয়ে আসে টিংকু চেয়ারম্যানের কাছে।
মহিবুলের মা মাছুরা খাতুন জানান, আমার ছেলে মহিবুলকে শুক্রবার সন্ধ্যায় চেয়ারম্যান টিংকুর কাছে নিয়ে যাচ্ছিল দাউদ, ভাবলু ও রফিকুল সহ অন্যান্য   লোকজন জোর করে ওঠায়ে নিয়ে যায়। চাঁদার টাকা না দেয়ায় চেয়ারম্যান টিংকুই আমার ছেলেকে গুম করেছে।
গ্রাম্য মাতবর দাউদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি কিছু বলতে পারবো না, চেয়ারম্যান সব জানে। মহিবুল গুম হওয়ায় অভিযুক্ত কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাসান ফিরোজ আহম্মেদ টিংকুর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ছেলেটিকে আমার এখানে আনার পর দাউদের মাধ্যমে তাকে থানায় পাঠিয়েছি। পুলিশের কাছে দেওয়ার পর আমার দায় দায়িত্ব শেষ।
এ ব্যাপারে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতাউর রহমান বলেন,থানায় কোন ছেলেকে আমাদের কাছে কেউ হস্তান্তর করেনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *