শার্শায় উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির দুই পরীক্ষার্থীকে টিকা দেওয়ার মধ্য দিয়ে গ্রামাঞ্চলে ফাইজারের টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন

আসাদুজ্জামান আসাদ : যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারন ফজিলাতুননেছা মহিলা কলেজের উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির দুই পরীক্ষার্থীকে টিকা দেওয়ার মধ্য দিয়ে গ্রামাঞ্চলে ফাইজারের টিকাদান কর্মসূচির এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হল৷

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারন ফজিলাতুননেছা মহিলা কলেজ ক্যাম্পাসে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের এই টিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধনে অংশ নেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলিফ রেজা,স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা.ইউসুফ আলি, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা চৌধুরী হাফিজুর রহমান, জেলা পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ এসএম ইব্রাহিম খলিল, নাভারন ফজিলাতুননেছা মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ লায়লা আফরোজ বানু মলি, শার্শা উপজেলা কলেজের অধ্যক্ষ হাসানুজ্জামান।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা.ইউসুফ আলি বলেন, ফাইজারের টিকার প্রথম ডোজ পায় নাভারন ফজিলাতুননেছা মহিলা কলেজের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী মুসলিমা খাতুন (১৮) এবং সুমাইয়া আক্তার (২০)৷

আপাতত এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ফাইজারের টিকাই দেওয়া হবে ৷ ২৫ নভেম্বর শার্শা উপজেলার ১১টি কলেজের ২৪৮৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে সাতটি কলেজের ১৪৫৪ জন পরীক্ষার্থীকে এই টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হবে৷ আজ দেওয়া হয়েছে ৭টি কলেজের ১২০০ জনকে।

“টিকা নেওয়ার পর কোনো কিশোর কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়লে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে৷”

টিকা দেওয়ার পর উচ্ছাস প্রকাশ করেন ফজিলাতুননেছা মহিলা কলেজের পরীক্ষার্থী উপজেলার বেনেখড়ি গ্রামের মুসলিমা খাতুন(১৮), ঝিকরগাছার মানিকালি গ্রামের সুমাইয়া আক্তার (২০), সুবর্নখালি গ্রামের মাহজাবিন রজনী (২০)
ধলদা গ্রামের নাসরিন খাতুন(১৮), শার্শা উপজেলা কলেজের ছাত্র গাজীপুর গ্রামের এবিএম রাজিব ।

মুসলিমা খাতুন(১৮) বলেন, টিকা পেয়ে আমরা খুব খুশি। সরকার আমাদের নিরাপত্তার জন্য যে ব্যবস্থা করেছেন এ জন্য সরকারকে অভিনন্দন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলিফ রেজা পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন,‘‘এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের পর সবাই টিকা পাবে, টিকা নেওয়ার পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আস৷ কিন্তু সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে নইলে কোভিড-১৯ সংক্রমণ আবারও বাড়তে পারে৷’’

মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা চৌধুরী হাফিজুর রহমান, আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলেছি, কিন্তু সীমিত আকারে৷ টিকাদান কার্যক্রম যত সফল হবে তত দ্রুত স্কুল কলেজে পাঠদান কার্যক্রম চালু করতে পারব৷নতুন বছর শুরুর আগেই আমরা টিকাদান কার্যক্রমে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব বলে আশা করছি।

ম্যানুয়ালী টিকাদান কার্ড পূরন করে এইচএসসি পরীক্ষার নিবন্ধন কার্ড ও মোবাইল ফোনের নম্বর টিকাদান কেন্দ্রে জমা দিয়ে টিকা গ্রহন করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *