যত্রতত্র গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রয়ের হিড়িক

সোহাগ হোসেন : যশোরের শার্শা থানা ও বেনাপোল পোর্ট থানা ছাড়াও গ্রাম গজ্ঞের লোকালয়ে অবৈধ্য ভাবে গ্যাস সিলিন্ডর বিক্রয় করতে দেখা যায়। সিলিন্ডার বিক্রয় করতে মানা হয় না কোন আইন ও নিয়ম কানুন। বৈধ্য লাইসেন্স ও অগ্নি নির্বাক কোন অভিজ্ঞতা ছাড়ায় গ্যাস সিলিন্ডার ব্যাবসা করছে। এ সমস্ত বিক্রয় কর্মিদের নেই কোন অগ্নিরোধক অভিজ্ঞাতা না আছে বিষ্ফোরক দ্রব্যের লাইসেন্স, কোন আইনের তোয়াক্কা করে না, এতে সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব।
সরেজমিনে দেখা যায় যে কোন প্রতিষ্টানে, মুদি দোকান, হার্ডওয়ারির, ফ্লাক্সি লোড, রড সিমেন্ট দোকান এছাড়াও আরো বিভিন্ন প্রতিষ্টানে বিষ্ফোরক দ্রব্যের লাইসেন্স ছাড়া গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রয় করতে। গ্যাস সিলিন্ডার বহনের জন্য নসিমন, করিমনে করে অনেক দুরত্বে পৌছতে ব্যবহৃত করছে, যার ফলে বড় কোন দুর্ঘটনা হতে পারে। আইনের বিধি অনুযায়ী একজন ডিলার ৪০থেকে৬০টি গ্যাস সিলিন্ডার মজুত করতে পারে। সেখানে অনুমোদিত কোম্পানি ছাড়াও বিভিন্ন কোম্পানির গ্যাস সিলিন্ডার, যমুনা, টোটাল, সেনা, নাভানা, ওমেরা, প্লাস্টিক গ্যাস সিলিন্ডার মজুত করতে দেখা যায়। অনেকের বৈধ্য কাগজ পত্র থাকলেও তা মেয়াদউত্তীর্ণ মানা হয় না আইন কানুন। অনেকের গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ রাখার জন্য নেই কোন নিরাপদ গোডাউন, নেই অগ্নিরোধক ব্যাবস্থা ও অগ্নি নির্বাণ অভিজ্ঞতা। বিষ্ফোরক দ্রব্য আইনে ২০০৩ এর ধারা ৪এ উক্ত আইনে, ১৭ ও ১৮ ধারা মোতাবেক ৩বছর কারাদন্ড ও অর্থদন্ডসহ মালামাল বাজেয়াপ্ত করতে পারবে।
শার্শা থানার বেনাপোল ফায়ার সার্ভিস ইনচার্জ তৌহিদুর রহমান বলেন, এক একটি সিলিন্ডার বিষ্ফোরিত হলে একটি শক্তিশালি বোমার সমান। যে সব প্রতিষ্টান গ্যাস সিলিন্ডার ব্যাবসা করে থাকে, তারা ফায়ার সার্ভিসের মাধ্যমে  প্রশিক্ষণ নিয়ে, ফায়ার সার্ভিসের কাগজ পত্র সংগ্রহ করে বিষ্ফোরক দ্রব্য আইন মেনে ব্যাবসা করতে পারে। আইন না মেনে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যাবসা করলে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
সাধারণ ক্রেতা জসিম বলেন, গ্যাস সিলিন্ডারের বিক্রয়ের সাথে জড়িত তারা আমাদের কাছ থেকে সিলিন্ডার প্রতি ৪০থেকে৫০টাকা লাভে বিক্রয় করে থাকে। তারা গ্যাস সিলিন্ডারের নিয়ম- কানুন সম্পর্কে অজ্ঞ।
প্রশাসন যদি আইন অনুযায়ী ব্যাবস্থা নেই তাহলে যেখানে সেখানে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রয় বন্ধ হবে, বড় কোন দুর্ঘটনা ঘটার হাত থেকে রক্ষা পাবে সাধারণ জনগোন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *