মিরপুরের শীর্ষ ভূমিদস্যু আমির গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক : মিরপুরের শীর্ষ ভূমিদস্যু, চাঁদাবাজ, দখলবাজ আমিরুজ্জামান (আমির) দীর্ঘদিন ছোয়ার বাইরে বাইরে থাকলেও অবশেষে পল্লবী থানা পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেফতার করা হয়।

শীর্ষ সন্ত্রাসীদের সাথে যোগসাজসে বিভিন্ন নিরীহ মানুষের জায়গা জবর দখলের অভিযোগ রয়েছে এই পল্লবীর শীর্ষ ভূমিদস্যু আমিরের বিরুদ্ধে। পল্লবীবাসী এই ভূমিদস্যু আমিরের অত্যাচারে অস্থির হয়ে মানববন্ধন, পোষ্টার লাগিয়েও মুক্তি পায়নি। বরং, দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

শীর্ষ সন্ত্রাসী মামুনের রাইট হ্যান্ড হিসেবে ভূমিদস্যু আমির এসকল অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে। তার এসকল অপকর্ম বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হলেও দীর্ঘদিন অধরাই থেকে যান আমিরুজ্জামান আমির। তার বিরুদ্ধে জাল সনদে পত্রিকা ডিক্লারেশনের অভিযোগ রয়েছে।

তার অপকর্মে অতিষ্ঠ হয়ে পল্লবীবাসী আমিরের ফাঁসি চেয়ে বিভিন্ন জায়গা পোষ্টারও দেখা গেছে। আমিরের অত্যাচারে অস্থির হয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেও, তার থেকে পরিত্রাণ মিলে নেই।

আমিরকে নেওয়া হয়নি আইনের আওতায়। কেউ তার অপকর্মের প্রতিবাদ করলেই মিথ্যা মামলায় জড়ানোসহ জীবন নাশের হুমকী দেয় এই আমির। মামলাবাজ আমির. শুধু মাত্র মামলা দিয়েই নয়, বরং ভূয়া সার্টিফিকেট দিয়ে পত্রিকার ডিক্লারেশান নিয়ে মানুষকে তথ্য প্রমাণ ছাড়া মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের ভয় দেখায়। কেউ তার কথা না শুনলে, তথ্য প্রমাণ ছাড়া যা খুশী তা লিখে দেয়। যা দেশের প্রচলিত আইনে শাস্তি যোগ্য অপরাধ। আমিরের ভূয়া সার্টিফিকেট দিয়ে পত্রিকার ডিক্লারেশান নেওয়ার বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত করছে। তদন্তে ইতিমধ্যে সত্যতা পাওয়া গেছে বলেও গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এছাড়া যে সার্টিফিকেট দিয়ে আমিরুজ্জামান পত্রিকার ডিপক্লারেশন নিয়েছেন তা ইতিমধ্যে জাল ও সৃজিত বলিয়া প্রমানিত হয়েছে। ভূমিদস্যু আমির পল্লবীর অশিক্ষিত, বিভিন্ন অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের তার পত্রিকার সাংবাদিকের কার্ড দিয়ে একটি প্রেসক্লাব গঠন করেছে। যার সাথে যুক্ত প্রায় সকলে বিভিন্ন অপকর্মে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তার মূলকাজ মানুষের বাড়ি-ঘর দখল করে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করা।

অবশেষে ভূক্তভোগী এক বাড়ির মালিক বাদী হয়ে তার বিুরদ্ধে মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-৫৯ (পল্লবী থানা) তারিখ- ১২/০৮/২০২১ইং।

পল্লবী থানার এস.আই সজীব খান আজ তাকে গ্রেফতার করেন এবং ৭দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে প্রেরণ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *