বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রফতানি অনিশ্চিত

গ্রামের সংবাদ ডেস্ক : করোনাভাইরাসের ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের প্রভাবে চলমান লকডাউন আরো এক সপ্তাহ বাড়ানোর প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

এতে বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি চালু থাকবে কিনা তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন উভয় দেশের বন্দর ব্যবহারকারী ও ব্যবসায়ীরা। কারণ ভারতীয় পত্র-পত্রিকায় বলা হয়েছে লকডাউনে রাজ্যের মধ্যে ও রাজ্যের বাইরে জরুরি পরিসেবা (যেমন ওষুধ, সংবাদমাধ্যম, দুধ ইত্যাদির জন্য যান চলাচল করতে পারবে) ছাড়া আন্তঃরাজ্য ট্রাক চলাচল ও পণ্য সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

এদিকে বাংলাদেশের জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ১৭-২৩ মে আগের যে বিধিনিষেধ ছিল তা চলমান থাকবে। ঈদের পর ২২ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত সংক্রমণ বাড়তে পারে বলে আমাদের ধারণা। এজন্য বিধিনিষেধ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

চলতি বছর করোনা সংক্রমণ বাড়ায় গত ৫ এপ্রিল থেকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত ঢিলেঢালা লকডাউন পালন হলেও সংক্রমণ আরো বেড়ে যাওয়ায় ১৪ এপ্রিল থেকে ‘কঠোর লকডাউন’ ঘোষণা করে সরকার। সবশেষ তা ১৬ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

ভারতের পেট্রাপোল সিএন্ডএফ স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শশঙ্ক শেখর ভট্রাচার্য জানান, এবারের ১৫দিনের লকডাউনে সব কিছু বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে আমদানি-রফতানি চালু থাকবে কি না সে ব্যাপারে এখনো কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। যেহেতু বনগাঁ পৌর পার্কিং ও পেট্রাপোল ল্যান্ড পোর্ট এর ওয়্যার হাউজে যেসব পণ্যবাহী ট্রাক দাঁড়িয়ে আছে সেসব ট্রাকে কোন বাধা নিষেধ থাকবে না বলে তিনি জানান।

বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান জানান, আমরাও চিন্তিত আমদানি-রফতানি হবে কি না। যেহেতু বাংলাদেশে রবিবার (১৬ মে) অফিস আদালত খুলছে এবং ভারতে লকডাউন শুরু হচ্ছে সেহেতু রবিবার সকালে ভারত থেকে পণ্যবাহী ট্রাক না এলে জানা যাবে আমদানি-রফতানি চালু থাকবে কি থাকবে না আমাদের সে পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *