বাবার স্বপ্ন পুরণ, হাজার বছর বেঁচে থাকুন বাবা

গাজী আনোয়ার হোসেন : হাজার বছর বেঁচে থাকুন বাবা, কথাগুলো বললেন, বিশিষ্ট সমাজ সেবক, লোহাগাড়া উপজেলার, কামঠানা গ্রামের ওয়ালিউর রহমান বিপ্লব । তিনি গ্রামের সংবাদ কে জানালেন, দুনিয়াতে বাবা-মা দুইজনই প্রতিটি ব্যাক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ।সন্তানের স্বাস্থ্য ও সুস্থতার যত্নশীল বিষয়ে নিবেদিত প্রাণ বাবা-মা । তারা সন্তানের জন্য একাই নি: স্বার্থ যে, সবকিছুর উপর কোন কাজই বাবা-মা সন্তানের কাছ থেকে বিনিময়ে কোন কিছু আশা করে না । বিনিময় কোন কিছু চান না ।
এর ধারাবাহিকতায় তাদের গুরত্বের কথা চিন্তা করে , লোহাগড়া উপজেলার কামঠানা গ্রামের বিশিষ্ট সমাজ সেবক জনাব হাবিবুর রহমান মোল্যার ছেলে জনাব ওয়ালিউর রহমান বিপ্লব, ছোট বেলা থেকে বাবা-মা সেবা ও সমাজে সেবাধর্মী কাজ করে চলেছেন । বাবা – মায়ের সুখ – দু:খ, আনন্দ বেদনা ভাগা ভাগি করে নিয়ে সামনের দিকে পথ চলছেন । বাবা- মায়ের সেবা করতে পেরে তিনি নিজেকে ধন্য মনে করেন । তারা ছাড়া আপন জন আর কেউ নেই । আনন্দ ভ্রমনে মাকে নিয়ে গেলেন, মালেশিয়াও সিংগাপুর, মা যখন যা ইচ্ছা করেছেন, বিপ্লব তা পূর্ণ করেছেন । তিনি মাকে স্বর্গের সিড়ি মনে করেন । তিনি মনে প্রাণে বিশ্বাস করেন মায়ের পদতলে সন্তানের বেহেস্ত । আর বাবা ছাড়া পৃথিবীর সকল সন্তানদের জীবন অন্ধকার । গত দেড়মাস হলো পিতা হাবিবুর রহমান মোল্য (৮০) কভিড-১৯, করোনায় আক্রান্ত হন । তাৎক্ষনিক ঢাকা এ্যাপোল হাসপাতালে চিকিত্সার জন্য ভর্তি করা হয় । বাবা হাসপাতালের আইসিইউ বেডে আছেন, মৃত্যুর পথ যাত্রী । তিনি বাবার শিহরে রাতের প্রহর গুনছেন, ডাক্তারগণ জানান, বাবার ৭০/: হার্ডের ভ্লাব নষ্ঠ হয়ে গেছে । বাবা কে শান্তনা দেবার জন্য , বিপ্লব বলেন, বাবা তুমি ভাল হয়ে বাডি কিষ্ণে যাবে, বাস- না হেলিকাপ্টরে, রাখে আল্লাহ মারে কে, চোখ মেলে বাবা বললেন, ভাল হয়ে হেলিকাপ্টরে বাডি যাবেন । বাবা এখন সম্পূর্ণ সুস্থ্য । বাবার ইচ্ছা পুরণ হলো হেলিকাপ্টরে চড়ে নিজ গ্রামে ঢাকা থেকে ২৬ শে আগষ্ট । বাড়ি ফিরলেন । এলাকা বাসী তার বাবা জনাব / হাবিবুর রহমানকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নিলেন ও বললেন, বাবার স্বপ্ন পুরণ হলো ।ওয়ালিউর রহমান বললেন, সকল সন্তানের যেন, পিতা মাতার সেবা ও ইচ্ছা পুরণ করেন ।
আমার পিতা এখন ভাল, রোগ মুক্তির জন্য আল্লাহর নিকট শুকরিয়া আদায় করছি, তার স্বরণে এলাকায় ২৬ শে আগষ্ট বেলা ৫-৩০ মি: এক ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছেন, খেলবে দাদা ও পোঁতা ছেলে । জনাব ওয়ালিউর রহমান আনন্দে বললেন, হাজার বছর বেঁচে থাকুন বাবা ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *