বাঘারপাড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের মাঠ পরিদর্শন করলেন কৃষি কর্মকর্তাগন

সাঈদ ইবনে হানিফ ঃ বাঘারপাড়া উপজেলার জামদিয়া ইউনিয়নের বারভাগ (দক্ষিন) বিলে গত আট-দশ বছর যাবত কোন ফসল হয় না। বিলের চার পাশে মৎস্য ঘের কাটায় পানি নিস্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে, ফলে প্রতি বছর জলাবদ্ধতায় পরিনত হয়ে বাদা-জঙ্গলে ভরে থাকে বিল । চলতি বছর অনাবৃষ্টির কারনে বিল শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে, তার পরও কিছু কিছু কৃষক পড়ে থাকা জমি পরিস্কার করে ইরি-বোরো আবাদ করার উদ্বোগ নেয় । তারা বেশ সফল ও হয়ে ছিলেন,। কিন্তু নিয়োতির খেলা হঠাৎ ধানের শীষ বেরোনোর মুর্হুতে গত ৪ এপ্রিল সন্ধ্যায় কাল-বৈশাখীর গরম বাতাসে ধানের শীষ শুকিয়ে সাদা হয়ে যায়।

অনেকের ক্ষেত ঠিক হয়ে গেলেও কিছু কিছু জমিতে ফলন হয়নি। ,ফলে তাদের হাউ-হুতাশ করা ছাড়া আর কোন উপায় নেই। কথা হয় বারভাগ গ্রামের মোঃ আকরাম আলী সরদার, মোঃ লিয়াকত আলী সরদার, বসুন্দিয়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক মোল্যা, বারভাগ গ্রামের মোঃ ইমরান হোসেন সহ আরো অনেকে সাংবাদিকদের বলেন, পতিত জমি পরিস্কার করে ইরি-বোরো চাষ করেছি কিন্তু ধান অনেক চিটা হয়ে গেছে। লোকসানের ঘান টানতে মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হবে, ক্ষতি গ্রস্তদের উপর সরকার নজর দিলে আবার মাথা উচু করে চাষ করতে পারবো । এ সমস্ত চাষিদের প্রতি সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা বা নেক নজর না পেলে আর হয়তো ঘুরে দাড়াতে সক্ষম হবে না। বিষয়টি নিয়ে কয়েকবার উপজেলার উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার পর গত ২ মে রবিবার বাঘারপাড়া উপজেলার উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা বাবু বিজন কুমার ও বাবু কল্লোল কুমার হালদার সরোজমিনে দেখতে আসেন এবং কৃষকদের নিয়ে মত বিনিময় করেন। এ সময় বসুন্দিয়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক কর্মকর্তাদের বলেন, সে পার্শ্ববর্তী উপজেলার বাসিন্দা কিন্তু তার গ্রামে চাষবাদের কোন জমি নেই যারফলে জামদিয়া ইউনিয়নের বারভাগ বিলে মৎস্য ঘের সহ ১০ থেকে ১২ বিঘা জমিতে চাষাবাদ করে আসছেন। বসুন্দিয়া ইউনিয়ন উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তারা তাকে কোন প্রকার সরকারি সহযোগিতা থেকে দুরে ঠেলে দেন। বিষয়টি বাঘারপাড় উপজেলা উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তাদের জানালে বিভ্রান্তিকর অবস্হায় পড়তে হয়।
গত ইরি-বোরো মৌসুমের সরকারি বীজ সংগ্রহের জন্য স্থানীয় সাংবাদিকদের সহযোগিতায় দুই তিন বিঘা জমি চাষের মত ধান তিনি পেয়ে মহা খুশিতে চাষ করেছেন। তারপরও কিছু সমাজ পতি মানুষের সমালোচনার পাত্র হলেও চক্ষুশুল তাদের কাছে। চলতি বোরো মৌসুমে দুই বিঘা জমির ধানে চিটা পড়ে যাওয়ায় ব্যাপক ক্ষতির সম্মূখীন হয়েছেন তিনি। অনেক চাষি এ বছর লোকসানের ঘানিতে পড়ে আছেন তাই সরকারের পৃষ্টপোষকতায় পাওয়ার আশায় উর্ধ্বতন কৃষি কর্মকর্তাদের সুদৃষ্টি দেওয়ার জোর দাবি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *