বাঘারপাড়ার যে চেয়ারম্যন নিজের জমি বন্ধক রেখে জনগণের কল্যাণে কাজ করেন

সাঈদ ইবনে হানিফ ঃ বাঘারপাড়া( যশোর) : ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কারিগর মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি রক্ষা ও বাস্তবায়িত করার লক্ষে এবং ক্ষুধা মুক্ত দেশ গড়ার অঙ্গিকার কে সামনে রেখে দলের সকল পর্যায়ের নেতা কর্মীরা নিরলস পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। যার ধারাবাহিকতায় চলছে দেশের সকল ইউনিয়নের বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী কার্ডের কর্যক্রম।

শরিবার থেকে বাঘারপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়নের প্রতিটি মহল্লায় দিনভর চলেছে মাইকিং যাতে এই কার্ড হতে কেউ বাদ না পড়ে কেউ। তাছাড়া পরিষদে বসে নিজেই জমা নিচ্ছেন কাগজ পত্র। এছাড়াও করোনায় কর্মহীন মানুষের মাঝে প্রতিনিয়ত চলছে অর্থসহ নিত্য সামগ্রী বিতরণ। নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল সরদার যে মানুষটি শুক্রবারসহ সকাল ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত পরিষদে অবস্থান করেন জনগনের সেবা দিতে। এ ইউনিয়নের জনগন ও সর্বক্ষন প্রয়োজন মিটাতে পেরে খুশি চেয়ারম্যানের উপর। শুধু তাই নয় তিনি এমন একজন চেয়ারম্যান যিনি নিজের জমি বন্দক রেখে জনগণের কল্যানে কাজ করেন। পাশাপাশি তিনি মানুষকে সমাদর ও করে থাকেন।

আবুল সরদার চেয়ারম্যান পরিষদের ভিতরে প্রবেশ কারির হাতে তুলে দেন এক প্যাকেট বিস্কুট । দির্ঘদিন ধরেই যে কারনে পরিষদে সাধারণদের ভিড় জমে থাকে সর্ব সময়। আর অনুদানের কথা না বল্লেই নয় খাৎনা,বিবাহ,মুখে ভাত, মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে নগত অর্থসহ একাধিক দরিদ্র পরিবারের ঘর ওয়াংরিং এর খরচ যোগান দিয়েও থাকেন তিনি। এছাড়া পরিষদে ভেতরে বিচারের জন্য দৃষ্টিনন্দন এজলাস্ ও জনসাধারণের জন্য পাঠাগার তৈরি করেন।

মোট মিলে আবুল সরদারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ স্থানীয় নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়নসহ গোটা বাঘারপাড়া উপজেলায়। চেয়ারম্যানের ব্যপারে কথা হয় স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়মীলীগের সিনিয়ার সহ-সভাপতি আসাদুজ্জামান চিশতি সাথে তিনি বলেন, দেশ স্বাধীনের পর থেকে এ পর্যন্ত কোনো চেয়ারম্যানকে এমন উন্নয়নমুলক কাজ করতে দেখি নি।

তিনি চেয়ারম্যান হওয়ার পর থেকেই বাড়ির জমি বিক্রি করেও মানুষকে সাহায্য করেছেন। একজন প্রতিবন্ধী আলম বলেন, আমি প্রতিবন্ধী কার্ডের জন্য চেয়ারম্যানের কাছে আসলে তিনি আমাকে আবেদন করতে বললেন। আবেদন করলে তিনি আমার কার্ড করে দিয়েছেন। কিছু দিন আগেও তিনি আমার পিতৃহীন চাচতো বোন তানজিলার বিয়ের আয়োজন করেন নিজস্ব অর্থায়নে। আসহায় মহিলা হাসিনা বলেন, আমার ঘর ওয়ারিং করার জন্য তিনি টাকা দিয়েছেন।

এরকম অসহায়দের মাঝে সরকারের দেওয়া ঘরগুলোর ওয়ারিং করার জন্য সকলকে তিনি নিজস্ব অর্থ দিয়ে সাহায্য করেন। বাংলাদেশের প্রথম গ্রাম কে শহর ও ডিজিটাল ইউনিয়নের দাবী করলেন আবুল চেয়ারম্যান।

তিনি বলেন, আমি চেয়ারম্যান হয়েছি নিজের অর্থকড়ি করার জন্য নয়, জনগণের সাহায্য করার জন্য। করোনার সময়ে আমি নিজের জমি বন্ধক রেখেও মানুষের পাশে দাড়িয়েছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমার দাবী তিনি যেন আবারো আমাকে মনোনয়ন দিয়ে বাকী কাজ গুলো করার সুযোগ করে দেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *