ঠাকুরগাঁওয়ে আট টাকায় ‘পাট শাকের আটি’

মোঃ ইলিয়াস আলী, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জেলার বিভিন্ন হাট বাজারে কদর বেড়েছে পাট শাকের (ছবি- দৈনিক অধিকার)
ঠাকুরগাঁওয়ে এক আটি পাটশাক বিক্রি হচ্ছে ৮ টাকা দরে। চৈত্র মাসের শুরুতেই জেলার বিভিন্ন হাট বাজারে কদর বেড়েছে পাট শাকের। তবে আগাম শাকের মূল্য একটি বেশি হলেও ব্যাপক চাহিদা রয়েছে শাক ক্রেতাদের। অন্যান্য শাক নতুন বাজারে আসার শুরুতেই প্রতি আটি ৪-৫ টাকা দরে বিক্রি হয়।

শুক্রবার (২২ মার্চ) সকালে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রোড এলাকার কাচামালের আড়ৎ, বালিয়াডাঙ্গী কাচামালের বাজার, কালমেঘ বাজারসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে- খুচরা ব্যবসায়ী এবং চাষিরা একই দামে বিক্রি করছেন শাক।

বালিয়াডাঙ্গী বাজারের পাট শাক বিক্রি করতে আসা চাষি মোসারুল ইসলাম জানান, সাড়ে ৩ হাজার টাকা খরচ করে ৮ শতক মাটিতে শাক বিক্রির উদ্দেশ্যে আগাম পাটশাক উৎপাদন করেছি। গত ৩ দিনেই তিনি ছয় হাজার টাকার বেশি পাটশাক খুচরা ও পাইকারী মূল্যে বিক্রি করেছেন।

পাইকারদের কাছে ১শ আটি ৭০০ টাকা দরে এবং খুচরা বাজারে ৮টাকা দরেই তিন দিন ধরে বাজারে এ শাক বিক্রি হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

সুমাইয়া ষ্টোরের কাচামাল বিক্রেতা নুর ইসলাম জানান, নতুন সবজি বাজারে আসলেই সেই সবজির দাম একটু চড়া থাকে। সে অনুযায়ী পাটশাকের মূল্য ২ টাকা কমই আছে। কিছুদিন আগেই লাফা শাক ১০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বর্তমানে পটল বিক্রি হচ্ছে ৭০ কেজি দরে। আগাম উৎপাদন করা চাষিরা যেমন লাভবান হচ্ছে এমন চড়া দামে বিক্রি করে। পাশপাশি আমাদেরও লাভ রয়েছে।

শাক কিনতে আসা সাখাওয়াত হোসেন কয়েকজন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা জানান, দাম যেমনই হোক। নতুন তরকারি হিসেবে নতুন সবজির গুরুত্বই বেশি।

কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, পটল ৭০ টাকা কেজি, সিম ৩০ টাকা, শসা ২৫ টাকা, দেশি আলু ১২ টাকা, বেগুন ২৩ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

জেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত পাটের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়নি। তবে অধিকাংশ চাষি প্রথমে শাক উৎপাদন করে বিক্রি করে। পরে ওই জমিগুলোতে পাট উৎপাদন করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *