সচিবালয়ে ভূমিমন্ত্রী কাজের স্বার্থে আমার দরজা সবার জন্য খোলা

ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলেছেন, আমি টিমে বিশ্বাসী। সবাই মিলে ভালোভাবে কাজ করলে অবশ্যই ভূমি সেক্টরের বিভিন্ন সমস্যা দ্রুত সমাধান করা সম্ভব। কাজের স্বার্থে আমার দরজা সবার জন্য খোলা।

রোববার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে খুলনা বিভাগের ৭ টি জেলায় (খুলনা, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, মাগুরা, সাতক্ষীরা, নড়াইল এবং বাগেরহাট) অনুষ্ঠিতব্য ৪ দিন ব্যাপী ই-মিউটেশন প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।

বিভিন্ন জায়গায় এলাকাভিত্তিক বিশেষ সমস্যাও থাকতে পারে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, মাঠ পর্যায় থেকে তিনি আইডিয়া নিতে ইচ্ছুক। জনস্বার্থে যেকোনো কার্যকরী আইডিয়া গুরুত্বের সাথে গৃহীত করে কার্যকর করা হবে। মুজিববর্ষ শুরু হবার আগেই ভূমি মন্ত্রণালয়কে একটি পর্যায় নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে মন্ত্রী দৃঢ় আশা ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, এই বছরের জুন মাসের মধ্যে আশাকরি দেশব্যাপী ই-মিউটেশন কার্যক্রম পুরোদমে চালু হবে। একই সাথে ভূমি সেবাগ্রহীতাগণের সুবিধার্থে অভিযোগ কেন্দ্র গঠনের জন্য হটলাইন এবং সরকারের সাথে ভূমি সম্পর্কিত বিভিন্ন লেনদেনের জন্য ই-পেমেন্ট ব্যবস্থা চালুকরণের জন্য একটি পেমেন্ট গেটওয়ে স্থাপন করার বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন। এগুলো মূলত পুরো ভূমি ব্যবস্থাপনাকে ইন্টিগ্রেটেড অটোমেশনের ভেতর নেওয়ার পর্যায়ক্রমিক ধাপ।’

ভূমিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাকে ভূমিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেবার পর ৯০ দিনের প্রাথমিক কর্মসূচী গ্রহণ করেছি। এছাড়া, তাঁর মেয়াদের প্রথম দেড় বছর ‘স্বল্প মেয়াদী’, পরবর্তী দেড় বছর ‘মধ্যম মেয়াদী’ এবং শেষ দুই বছরকে ‘দীর্ঘ মেয়াদী’ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তার পুরো পাঁচ বছরের কর্মপরিকল্পনার ‘ডেডলাইন’ সাজিয়েছেন বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ভূমি ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই সম্যক ধারণা বেশ কম, যদিও সবার জীবন এবং পরিবারের সাথে বিষয়টি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ভূমি সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে স্কাউট সদস্য এবং স্থানীয় তরুণদের সম্পৃক্ত করে দেশব্যাপী শীঘ্রই ভূমি সপ্তাহ এবং ভূমি উন্নয়ন মেলা পালন করা হবে।

ভিডিও কনফারেন্সে মন্ত্রী জেলাগুলোর বিভিন্ন সমস্যার কথাও জানতে চান। তিনি বলেন, সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আমাদের সবার উচিত যার যে দায়িত্ব সেখানে সর্বোচ্চ ঢেলে দেওয়া। সবাই নিজ নিজ স্থান থেকে মনোযোগ দিয়ে কাজ করলে সমস্যা আর থাকবেনা।

এসি ল্যান্ডদের দাপ্তরিক কাজের সুবিধার্থে গাড়ি প্রদান করা হয়েছে উল্লেখ করে মাননীয় মন্ত্রী বলেন, নতুন জনবল নিয়োগ না দেওয়া পর্যন্ত পাশের উপজেলায় ভাগাভাগি করে দায়িত্ব পালন করাটা আগের চেয়ে অনেক সহজ হবার কথা। বিভিন্ন পর্যায়ের জনবলের অভাব পূরণে চলমান পদক্ষেপ গুলোর কথাও তিনি জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *