শালিখায় প্রতিমা তৈরীতে ব্যস্ত শিল্পীরা-চলছে রংতুলি ও সাজ সজ্জার কাজ

মাগুরা জেলা প্রতিনিধিঃ শারদীয় দূর্গা পূজাকে সামনে রেখে মাগুরার শালিখায় পূজা মন্ডপগুলোতে প্রতিমা তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছে প্রতিমা শিল্পীরা। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গাপূজা।
এবছর উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে ১২৪টি মন্ডপে শারদীয় দূর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। পূজার উৎসবকে পরিপূর্ণ রুপ দিতে মন্ডপ গুলোতে চলছে ব্যাপক সাজ সজ্জার প্রস্তুতি। ইতিমধ্যে বেশীর ভাগ মন্ডপ গুলোতে প্রতিমার কাঠামো মাটির কাজ শেষ হয়েছে। এবার শুরু হবে রং তুলি ও সাজ সজ্জার কাজ। আগামী ২২ অক্টোবর শুরু হতে যাচ্ছে হিন্দু ধর্মের সব চেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গাপূজা। শালিখার স্থাণীয় শিল্পী ছাড়াও বিভিন্ন স্থান থেকে আগত শিল্পীরা এসে প্রতিমা তৈরী এবং রং তুলির ও সাজ সজ্জার কাজ করছেন। প্রতিটি পূজা মন্ডপের জন্য তৈরী হচ্ছে দূর্গা, স্বরস্বতী, গনেশ কার্তিক, অসূর, সিংহ, হাঁস, পেঁচা, সর্পসহ বিভিন্ন প্রতিমা।
শারদীয় দূর্গাপূজা উৎসব শান্তিপূর্ণ ভাবে পালন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করনের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে প্রতিটি পূজামন্ডপ পরিদর্শন করাসহ প্রতিটি পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি-সম্পাদকসহ সদস্যদের সাথে মত বিনিময় করছেন মাগুরা-২ আসনের সংসদ সদস্য সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. শ্রী বীরেন শিকদার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোলাম মোঃ বাতেন এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ তরিকুল ইসলাম।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোলাম মোঃ বাতেন বলেন, হিন্দু ধর্মের সব চেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গাপূজা। এ উপলক্ষে উপজেলায় ১২৪টি মন্ডপে শারদীয় দূর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে প্রতিটি পূজামন্ডপ গুলোতে সরকারি অনুদান দেওয়া হয়েছে৷ কিছু অনুদান বাকি আছে৷ আশা করি বাকি অনুদানও পেয়ে যাবেন৷ গোলাম মোঃ বাতেন আরো বলেন, স্বররাষ্ট্র ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ ক্রমে নারী পূরুষ আলাদা আলাদা ভাবে প্রতিটি পূজা মন্ডপে স্বাস্থবিধি মেনে মাস্ক ব্যবহার করে প্রতিমা দর্শন করতে হবে৷ এবছর আনসার বাহিনীদের দেওয়া হচ্ছে না৷ পূজা কমিটির মাধ্যমে নিজ এলাকার লোকজনদেরকে নিয়ে সেচ্ছাস্বেবক কমিটি গঠন করতে হবে৷ সেই সব সেচ্ছাসেবকবৃন্দ পূজার ডিউটি দিবেন৷ আইনশৃঙখলা বাহিনীর নজর ও টহল থাকবে৷ পূজা মন্ডপে কোন মাইক বা জোরালো সাউন্ড সিস্টেম থাকবেনা৷ এমনকি প্রত্যেকটি পূজামন্ডপের পূজারিনিকে স্বাস্থবিধি মেনে মাস্ক পরিধান করে পূজা করতে হবে৷ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন পূজা যাতে শান্তি শৃঙখলা ভাবে উদযাপন হয় সেই জন্য এসপি স্যারের নির্দেশে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে৷ ইতোমধ্যে পূজা মন্ডপগুলো পরিদর্শন করেছি এবং প্রতিটি পূজা মন্ডপের সভাপতি ও সম্পাদকসহ সদস্যদের সাথে মত বিনিময়ও করেছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *