শার্শার নাভারন রেলওয়ের জমি থেকে গাছ কর্তন : ৫০ হাজার টাকা চাঁদা আদায়

স্টাফ রিপোর্টার : শার্শার নাভারনের রেলওয়ের জমি থেকে ঝড়ে পড়া গাছ কর্তন করে রেহায় পায়নি স্থানীয়রা।পুলিশের ভয় দেখিয়ে দূর্বত্বরা ৫০ হাজার টাকা আদায় করছে বলে অভিযোগ উঠছে । একই সাথে ঐ দুর্বত্বরা ২টি রেইনট্রি ও দুটি মেহগনি গাছ বিক্রি করছে ।
ঘটনার বিবরনে জানা যায়, সম্প্রতি ঘটে যাওয়া আম্পান ঝড়ে শার্শার নাভারনের রেল বস্তি এলাকার রেলওয়ের জমির ৩টি গাছ ভেঙ্গে যায় এবং ১টি গাছ বিদ্ধস্ত হয়। গাছ গুলি স্থানীয় বসবাসকারী মমিন ড্রাইভার, পপিলা বেগম ও আন্না কবিরাজ গাছ কেটে জড়ো করে রাখে।
গত ৩জুন স্থানীয় সংঘবদ্ধ দূর্বত্বরা জোট বেঁধে গাছ কাটার অভিযাগে মমিন ড্রাইভার, পপিলা বগম ও আন্না কবিরাজকে মামলার ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকার চাঁদা দাবি করে এসময় দু’জন সাদা পোশাকধারী পুলিশ ডেকে আনে।
আন্না কবিরাজ মোবাইল ফোনে জানান, স্থানীয় সালাম, বাসার গংরা আমাকে বলে আপনার বাড়ির সামনের গাছটির ডালপালা ভেঙ্গে গেছে কেটে নেন। তার কথা মত গাছটি কাটার পরপরই স্থানীয় আজিজুল, আবুল হোসেন ও মিঠুসহ তার দলবল নিয়ে হাজির হয় বাসার গংরা এবং ১ লক্ষ টাকার চাঁদা দাবি করে। একই সাথে মামলার ভয় দেখায় । কোন উপায়ন্তর না পেয়ে মান সম্মানের ভয়ে পরবর্তীতে আমরা চার জন মিলে ২৪ হাজার টাকা দিয়ে রেহাই পায়। টাকা গুলি মমিন ড্রাইভারের মাধ্যমে তাদেরকে দেয়া হয়। এরপর দক্ষিন বুরুজ বাগান গ্রামের মিঠু ও উত্তর বুরুজবাগান গ্রামের আজিজুল দক্ষিন বুরুজ বাগান গ্রামের পলাশ ও ঠান্ডুর ভ্যান যোগে গাছ গুলি সরিয়ে ফেলে।
এ ব্যাপারে ভ্যান চালক পলাশের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, দক্ষিন বুরুজ বাগান গ্রামের মিঠু ও উত্তর বুরুজবাগান গ্রামের আজিজুলের কথা মত গাছগুলি সাতক্ষিরা মোড়ের লিউ-এর কাঠ গোলায় নিয়ে যায়্। সেখানে তারা বিক্রি করে।
এদিকে এ খবর পেয়ে বেনাপোল রেলষ্টেশন এর জিআরপি পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসেন এবং ফিরে যাবার সময় জিআরপি পুলিশ সদস্য আবুল কালাম বলেন বেনাপোল এসে দেখা করার জন্য। তার কথামত মমিন ড্রাইভার ০৯ জুন বিকালে দেখা করলে তিনি ২৫ হাজার টাকার দাবি করেন। তা না হলে যারা গাছ কেটেছে তাদের নামে মামলা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *