রাজগঞ্জ এলাকায় দু-জন করোনা সংক্রমনে আক্রান্ত হয়েও মানছে না দূরত্ব, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

মণিরামপুর(যশোর)অফিস॥ করোনাভাইরাসের কারণে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি থাকলেও রাজগঞ্জ নিত্যপণ্যের বাজারের চিত্র ভিন্ন রকম। বাজারে সদয় করতে এসে নিরাপদ সামাজিক দূরত্বের তোয়াক্কা করছেন না কেউই। বাজারে লোকজন একে অপরের পাশে গা ঘেষে দাঁড়িয়ে ও ঢেঁলাঢেঁলি করে বাজারে সদয় করছেন।
গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রাজগঞ্জ বাজারে এমন চিত্র দেখা গেছে। ইতোমধে রাজগঞ্জ এলাকায় দু-জন করোনা সংক্রমনে আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্ত দুই জনের মধ্যে রফিকুল ইসলাম ছয় মাস ধরে রাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে কর্মরত আছেন। আর জিয়াউর রহমান চাঁদপুর জেলায় একটি এনজিওতে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি উপজেলার কাশিপুর গ্রামে। কর্মস্থলে থাকতেই তিনি জ্বরে আক্রান্ত হয়ে সেখানে নমুনা দেন।
ওই করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে আসা সকলের বাড়ী প্রশাসন লকডাউন করেছেন।
জানা যায়, করোনা সংক্রামণ ঠেকাতে মানুষের সামাজিক দূরত্ব ৩ ফুট বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। কিন্তু রাজগঞ্জের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ও হাট-বাজারে সামাজিক দূরত্ব মানছেন না কেউ।
রাজগঞ্জ বাজারের কয়েকজন ক্রেতা-বিক্রেতার সঙ্গে আলাপ করলে তারা জানান- তারা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়ে জানেন। নির্দিষ্ট স্থানও করা হয়েছে। কিন্তু বিক্রি ও কেনাকাটা করতে এসে ঠিক মত সে দূরত্ব রক্ষা করতে পারছেন না। আবার বিক্রেতারা দূরত্ব বজায় রাখার কথা বললেও ক্রেতা সমাগম বেশি থাকায় একে অপরের সঙ্গে দূরত্ব মানছেন না।
রাজগঞ্জ বাজারের পার্শ্ববর্তী ঝাঁপা ও চালুয়াহাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানেরা করোনা প্রতিরোধে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে বাজার সদয় করতে বললেও তা মানছে কেউ। যে কারণে স্বাস্থ্য ঝুঁকির আতংকে রয়েছে রাজগঞ্জবাসি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঝাঁপা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সামছুল হক মন্টু বলেন- করোনা প্রতিরোধে কয়েকটি ধাপ রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা। করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে একজন মানুষ অন্য মানুষ থেকে ৩ ফুট দূরত্বে থাকতে হবে। সামাজিক দূরত্ব বজায় না রাখলে এই ভাইরাস একজন থেকে আরেক জনের দেহে ছড়িয়ে পড়বে। তাই আমাদের নিজেদের জন্য হলেও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *