প্রসঙ্গ পিসি দেলোয়র : পণ্যচুরির সিন্ডিকেট সদস্যরা আতংকে

স্টাফ রির্পোটার : বেনাপোল স্থলবন্দরে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আনসার ব্যাটালিয়নের বর্তমান পিসি যোগদানের পর পরই বন্দর অভ্যন্তরে পণ্যচুরির সিন্ডিকেট সদস্যদের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।
জানা গেছে, ইতিপুর্বে নিয়োগকৃত আনসার প্লাটুন কমান্ডার (পিসি) অসিত কুমার দায়িত্বে থাকাকালে পণ্যচুরির সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বন্দর অভ্যন্তর থেকে দেদারছে পণ্যচুরি হতো। এই পণ্যচুরির কারণে পরিকল্পিতভাবে পণ্যাগারে আগুন লাগানোর অভিযোগও আছে। পিসি অসিত কুমার বন্দরের এক শ্রেণির অসাধু কর্মচারী/কর্মকর্তাদের মাসোহারা চুক্তিতে চোরাকারবারী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পণ্যচুরির হিড়িক পড়ে যায়।
সুত্রমতে, পণ্যচুরির অভিযোগে অসিত কুমারের বদলির পর তিনি আবার বেনাপোল কাস্টমস হাউসে যোগদান করেছেন। কাস্টমস হাউসে কর্মরত অবস্থায় অলিখিত চুক্তিতে আবারও স্থলবন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয়ার জন্য দৌড়ঝাপ শুরু করেছেন।
এদিকে বর্তমান পিসি দেলোয়ার হোসেন বেনাপোল স্থলবন্দরে যোগদানের পর পণ্যচুরি রোধে বিভিন্ন পদক্ষেপের প্রেক্ষিতে পণ্যচুরি অনেকাংশে হ্রাস পেয়েছে। বন্দরে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আনসার সদস্যরা কঠোরভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করছেন।
আনসার প্লাটুন কমান্ডার (পিসি) দেলোয়ার হোসেনের সাথে এ প্রতিনিধির সাথে আলাপকালে তিনি জানান, আনসার সদস্যরা জীবনের ঝুকি নিয়ে রোদ-বৃষ্টির মধ্যে বন্দর অভ্যন্তরে চুরি প্রতিরোধে বন্দরের এক বর্গকিলোমিটারের মধ্যে নিষ্ঠার সহিত তাদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। তিনি আরো জানান, ১৬৩জন আনসার সদস্যদের জন্য নেই কোন বিশ্রামাগার। যে ব্যারাকটি আছে তাও ব্যবহার অনুপযোগী। জায়গার সংকুলান হয় না। এছাড়া এখানে নেই কোন প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা।
বেনাপোল স্থলবন্দর থেকে সরকার প্রতি বছরে প্রায় ৫হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় করলেও বন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যদের জন্য রাতে ঘুমাবার জায়গাটুকু নেই। বিষয়টি বন্দর কর্তৃপক্ষকে বার বার জানালেও কোন সুরাহা হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *