নড়াইলে গৃহহীনদের জন্য নির্মিত হচ্ছে ৩২৫টি বাড়ি

নড়াইল প্রতিনিধি ॥ নড়াইলে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য ৫কোটি ৫৫লাখ ৭৫ হাজার টাকা ব্যয়ে ৩২৫টি বাড়ি নির্মিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে ১০৫টি বাড়ি নির্মাণের কাজ সমাপ্ত হয়েছে। আরও ২২০টি বাড়ি ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য নির্মাণ করা হবে বলে জানালেন নড়াইলের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান।আগামি ২৩ জানুয়ারি নির্মিত ঘরের হস্তান্তর উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় এক প্রেসব্রিফিং ও মত বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। প্রেস ব্রিফিং ও মত বিনিময় অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো: ইয়ারুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো: ফখরুল হাসান মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রমের সার্বিক বিষয় তুলে ধরেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের আওতায় সরকারি খাস জমিতে হস্তান্তযোগ্য গৃহ নির্মাণের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। ‘আশ্রায়নের অধিকার শেখ হাসিনার উপহার’ এ শ্লোগানকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য নির্মিত হয়েছে ‘স্বপ্নের বাড়ি’।তিনি আরো বলেন, মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে আগামি ২৩ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে জেলার ভূমিহীন অসহায় পরিবারগুলোর মাঝে হস্তান্তর করা হবে ঘরের চাবি। প্রত্যেক সুবিধাভোগীকে দুই শতাংশ জমি ও দুই কক্ষ বিশিষ্ট আধাপাকা ঘরের মালিকানা হস্তান্তর করা হবে। এ ঘর পাবার ফলে ভাসমান অবস্থা থেকে চিরতরে মুক্তি পাবেন গৃহহীন ও ভূমিহীনরা। পাবেন মাথা গোঁজার ঠাঁই। এরফলে পরিবারগুলো পাবে সামাজিক মর্যাদা ও স্থায়ী নতুন ঠিকানা। যা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এক অনন্য উদ্যোগ।
নড়াইল জেলা ত্রাণ ও পূর্নবাসন কর্মকর্তা মো: মিজানুর রহমান বলেন, নড়াইলে প্রথম পর্যায়ে ১কোটি ৭৯লাখ ৫৫হাজার টাকা ব্যয়ে ১০৫টি বাড়ি নির্মাণের কাজ সমাপ্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৫১লাখ ৩০হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত নড়াইল সদর উপজেলায় ৩০ জন গৃহহীন, ৫৯লাখ ৮৫হাজার টাকা ব্যয়ে লোহাগড়া উপজেলায় ৩৫ জন গৃহহীন এবং ৬৮লাখ ৪০হাজার টাকা ব্যয়ে কালিয়া উপজেলায় ৪০ জন গৃহহীন ব্যক্তি ‘মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার’ শীর্ষক এ আধাপাকা বাড়ি পাচ্ছেন। দুই কক্ষ বিশিষ্ট প্রতিটি আধাপাকা ঘরের নির্মাণ ব্যয় হয়েছে এক লাখ ৭১ হাজার টাকা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *