চুয়াডাঙ্গায় শুকুর আলী নামের এক ব্যাবসায়িকে কুপিয়ে জখম করেছে

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : চুয়াডাঙ্গায় ব্যাবসায়িক লেনদেনের গাফিলতি দেখিয়ে তার পার্টনার  শুকুর আলীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করেছে।  যুবক শুকুর আলী জেলা শহরের গোরস্তানপাড়ার রবিউল ইসলামের ছেলে এবং বোরকা ব্যবসায়ী। তার ব্যবসায়িক পার্টনার পার্শ্ববর্তী ঈদগাহপাড়ার মৃত শফিউদ্দিন ড্রাইভারের ছেলে ইমরান হোসেন লেবু তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করেন। সোমবার সকালে ঈদগাহপাড়ার ঈদগাহ চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। জখম শুকুর আলীকে মুমূর্ষু অবস্থায় ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে। হামলাকারী লেবুকে পুলিশ হন্যে হয়ে খুঁজছে।
পুলিশ ও এলাকাসূত্রে জানা গেছে, ইমরান হোসেন লেবু, শুকুর আলী ও শুকুর আলীর ভগ্নিপতি সেলিম হোসেন এক সঙ্গে বোরকার ব্যবসা করেন। লেবু ব্যবসায় মাত্র ২০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে প্রতি সপ্তাহে ৭শ টাকা হারে লাভ নেন। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ব্যবসায়িক হিসাব নিকাশের কথা বলে ইমরান হোসেন লেবু তার ব্যবসায়িক পার্টনার শুকুর আলী ও সেলিমকে ঈদগাহপাড়ার ঈদগাহ চত্বরে ডাকেন। তারা সরল বিশ্বাসে সেখানে হাজির হন। এসময় ৭শ টাকার পরিবর্তে প্রতি সপ্তাহে ১২শ’ টাকা হারে দাবি করেন লেবু। এতে শুকুর আলী রাজি না হলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে লেবু ধারালো অস্ত্র বের করে শুকুর আলীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার সমস্ত শরীর উপর্যুপরি কোপে ক্ষতবিক্ষত করেন । শুকুর আলী মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এসময় সেলিম বাধা দিতে গেলে তার ওপরেও আক্রমণ করতে যান লেবু। সেলিম পালিয়ে প্রাণ রক্ষা করেন। শুকুর আলীর মা ফরিদা খাতুন বলেন, আমার ছেলে সরল সোজা প্রকৃতির। তাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে মৃত ভেবে ফেলে রেখে সটকে পড়ে লেবু। মুমূর্ষু অবস্থায় রক্তাক্ত জখম শুকুর আলীকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানান চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের সার্জিক্যাল কনসালটেন্ট ডা. ওয়ালিউর রহমান নয়ন। সদর থানার ওসি আবু জিহাদ খান  বলেন, ‘লেবু খুবই খারাপ প্রকৃতির লোক। তার বিরুদ্ধে থানায় কয়েকটি মামলাও আছে। এ হামলার ঘটনায় থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে। লেবুকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশি অভিযান শুরু হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *