আলমডাঙ্গার হাটবোয়ালিয়ায় ৪ ব্যাবসায়িকে উচ্ছেদ করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

আলমডাঙ্গা অফিস:  আলমডাঙ্গার হাটবোয়ালিয়া   জামে মসজিদের গর্তভরাট করে প্রায় ৪০ বছর আগে দোকান ঘর নির্মান করে ১৯৮৪ সাল থেকে ব্যবসা করে আসা ৪ ব্যাবসায়িকে উচ্ছেদ করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেন করেছেন ভুক্তভোগী ব্যাবসায়িগন।গতকাল রবিবার বেলা ১১টার দিকে  ভাংবাড়ীয়া গ্রামের মৃত রহিম বক্সের ছেলে আব্দুল জলিল ও রবিউল হক,হাটবোয়ালিয়া বাজেরের মৃত রেজাউল হকের ছেলে আল আমিন ও গাংনী, মেহেরপুর এর মৃত আজিজুল হকের ছেলে সাইফুল ইসলাম লাভলু,   আলমডাঙ্গায় সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানান আমরা ৪ জন ৫ টি দোকান ঘর মসজিদের জায়গায় গর্তভরাট করে নিজ অর্থায়নে নির্মান করে ব্যাবসা পরিচালনা করার লক্ষে হাটবোয়ালিয়া জামেমসজিদ কমিটির কাছ থেকে ৫ টি দোকানের পজিশন গ্রহন করে ঘর প্রতি ২ হাজার টাকা অগ্রিম দিয়ে ৫ টি দোকানের জন্য মোট ১০ হাজার টাকা মসজিদ কমিটিকে দিয়ে গর্তভরাট করে দোকান ঘর নির্মান করে ১ শত ৫০ টাকা ভাড়া হিসেবে ধার্য করে ব্যাবসা পরিচালনা করে আসছি অদ্যবধি মসজিদ কমিটিকে সম্পুর্ন ভাড়া পরিষোধ করেছি।হটাৎ হাটবোয়ালিয়া জামে মসজিদ কমিটি নতুন করে উল্লেখিত জায়গায় নতুন মার্কেট করার অজুহাতে আমাদেরকে দোকান ঘর ছেড়ে দিতে বলে।এবং আরো বলে যদি স্বইচ্ছায় দোকার ঘর না ছাড়ি তাহলে জোর পুর্বক উচ্ছেদ করা হবে।আমরা শান্তিপ্রিয় দোকানদার, মসজিদ কমিটির মাধ্যমে দোকান ঘরেন পজিশন ক্রয় করে দীর্ঘবছর ব্যাবসা করে আসছি।হটাৎ গত ৩০ আগষ্ট আমাদের কিছু না জানিয়ে কারো প্ররোচনায় মসজিদ কমিটি কারো দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বেশ কিছু লোকজন দিয়া বাজারে একটি সাজান বানব বন্ধন করেন।আমরা মসজিদ কমিটির সভাপতি সহ সকল সদস্যদের অনুরোধ করেছি প্রয়োজনে বাজার মুল্যে পুনঃভাড়া নির্ধারন করে নতুন নির্ধারিত ভাড়া দিয়ে ব্যাবসা করব।কিন্ত তারা তা না করে কারো দ্বারা প্রভাহিত হয়ে আমাদেরকে উচ্ছেদের স্বড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।আমরা আগেও বলেছি মসজিদের ফাঁকা গর্তে মাটি ভরাট করে পাকা ঘর নির্মান করে ব্যাবসা করে আসছি।এমতবস্থায় আমরা আপনাদের মাধ্যমে মসজিদ কমিটি সহ প্রশাসনের উর্ধতন কতৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *